Global Study Consultancy Ltd, Dhaka, Bangladesh
7 views | +0 today
Follow
Your new post is loading...
Your new post is loading...
Rescooped by Shafiqul Islam Jibon from Global Study Consultancy Ltd, Dhaka, Bangladesh
Scoop.it!

আমেরিকার ভিসা আবেদন পদ্ধতিতে পরিবর্তন : এটা নাকি বড্ড সুখবর

আমেরিকার ভিসা আবেদন পদ্ধতিতে পরিবর্তন : এটা নাকি বড্ড সুখবর | Global Study Consultancy Ltd, Dhaka, Bangladesh | Scoop.it
Shafiqul Islam Jibon's insight:
আমেরিকান দুতাবাসে ভিসা আবেদন পদ্ধতিতে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। সেটা হচ্ছে আবেদনকারীরা এখন অনলাইনে ফরম পুরনের সময় ভিসা অফিসারের সঙ্গে সাক্ষাতের দিন ও সময় নির্ধারন করতে পারবেন। আর এই পরিবর্তনে কি ধরনের সুখবর সৃস্টি হলো-সেটা আমার বুঝতে বড্ডই কষ্ট হচেছ। কিছু ভুইফোঁড় পত্র পত্রিকার হেডলাইন দেখে মনে হচ্ছে বাংলাদেশ সোনার খনি পেয়ে গেছে। দু’দিন ধরে কেউ হেড লাইন করছে দারুন সুখবর। কেউ লিখছে সুবর্ণ সুযোগ। কিন্তু কেউ একটি বারও ব্যাখ্যা করছে না যে দারুন সুখবরটি আসলে কী! ভেতরে পড়ে যেটা হচ্ছে চিরাচরিত নিয়মে দেশের মানুষের মাঝে একটা হুজুগ তৈরী হচ্ছে। যেটা আসলে মার্কিন দুতাবাসেরও কাম্য হতে পারে। কারন এ ধরনের একটা হুজুগ তৈরী হলে আমেরিকার ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদনের হিড়িক পড়ে যাবে। তাতে দুতাবাসের আয় রোজগারটাও বাড়বে বেশ। তারপর হুজুগে মাতাল বাঙালী গুলোর হুশ ফিরবে যখন ভিসা না পেয়ে ঘরে ফিরবে সুষ্ক ঠোঁটে ব্যর্থ মনোরথে! অনলাইনে সাক্ষাতের তারিখ ও সময় ঠিক করার সুযোগ সৃষ্টিকে যারা দারুন সুখবর বলছেন, মনে হচ্ছে তারা আমেরিকার ভিসা নিয়ে এ ধরনের হুজুগ তৈরীর জন্য এ্যাসাইনমেন্ট নিয়েছেন। তাদের লেখার ধরন দেখে মনে হচ্ছে বিষয়টি এতোই সুসংবাদের যে- আবেদন করলেই আমেরিকা জনে জনে ভিসা দিয়ে দেবে? সে গুড়ে বালি! আবেদন পদ্ধতিতে পরিবর্তনের ফলে আমেরিকার ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাপনাকে আরও কিছুটা উন্নত করা হলো। এতে দুতাবাসের পরিচালন ব্যয় এবং সময় সাশ্রয় হবে। সাইমন সেন্টারে আবেদন জমা এবং পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য আগে দু’বার যেতে হতো। এখন একবার গেলেই চলবে। যেটা যুক্তরাজ্যসহ অনেক দেশের ইমিগ্রেশন সাভির্স অনেক আগে থেকেই করে আসছে। এটা একটা বিজ্ঞাপনী খবর। তবে এটা মহা ধুমধামের বড্ড কোন সুখবর নয়। আসুন আমরা হুজুগকে দমন করি! www.gscl.com.bd
more...
Shafiqul Islam Jibon's curator insight, September 12, 2014 2:07 AM

আমেরিকান দুতাবাসে ভিসা আবেদন পদ্ধতিতে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। সেটা হচ্ছে আবেদনকারীরা এখন অনলাইনে ফরম পুরনের সময় ভিসা অফিসারের সঙ্গে সাক্ষাতের দিন ও সময় নির্ধারন করতে পারবেন। আর এই পরিবর্তনে কি ধরনের সুখবর সৃস্টি হলো-সেটা আমার বুঝতে বড্ডই কষ্ট হচেছ। 

কিছু ভুইফোঁড় পত্র পত্রিকার হেডলাইন দেখে মনে হচ্ছে বাংলাদেশ সোনার খনি পেয়ে গেছে। দু’দিন ধরে কেউ হেড লাইন করছে দারুন সুখবর। কেউ লিখছে সুবর্ণ সুযোগ। কিন্তু কেউ একটি বারও ব্যাখ্যা করছে না যে দারুন সুখবরটি আসলে কী!

ভেতরে পড়ে যেটা হচ্ছে চিরাচরিত নিয়মে দেশের মানুষের মাঝে একটা হুজুগ তৈরী হচ্ছে। যেটা আসলে মার্কিন দুতাবাসেরও কাম্য হতে পারে। কারন এ ধরনের একটা হুজুগ তৈরী হলে আমেরিকার ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদনের হিড়িক পড়ে যাবে। তাতে দুতাবাসের আয় রোজগারটাও বাড়বে বেশ। 

তারপর হুজুগে মাতাল বাঙালী গুলোর হুশ ফিরবে যখন ভিসা না পেয়ে ঘরে ফিরবে সুষ্ক ঠোঁটে ব্যর্থ মনোরথে! 

অনলাইনে সাক্ষাতের তারিখ ও সময় ঠিক করার সুযোগ সৃষ্টিকে যারা দারুন সুখবর বলছেন, মনে হচ্ছে তারা আমেরিকার ভিসা নিয়ে এ ধরনের হুজুগ তৈরীর জন্য এ্যাসাইনমেন্ট নিয়েছেন। তাদের লেখার ধরন দেখে মনে হচ্ছে বিষয়টি এতোই সুসংবাদের যে- আবেদন করলেই আমেরিকা জনে জনে ভিসা দিয়ে দেবে? সে গুড়ে বালি!

আবেদন পদ্ধতিতে পরিবর্তনের ফলে আমেরিকার ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাপনাকে আরও কিছুটা উন্নত করা হলো। এতে দুতাবাসের পরিচালন ব্যয় এবং সময় সাশ্রয় হবে। সাইমন সেন্টারে আবেদন জমা এবং পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য আগে দু’বার যেতে হতো। এখন একবার গেলেই চলবে। যেটা যুক্তরাজ্যসহ অনেক দেশের ইমিগ্রেশন সাভির্স অনেক আগে থেকেই করে আসছে। এটা একটা বিজ্ঞাপনী খবর। তবে এটা মহা ধুমধামের বড্ড কোন সুখবর নয়।

আসুন আমরা হুজুগকে দমন করি!

www.gscl.com.bd

Rescooped by Shafiqul Islam Jibon from Global Study Consultancy Ltd, Dhaka, Bangladesh
Scoop.it!

UK Education! A Big Question Mark!

Shafiqul Islam Jibon : Private schools are facing closing situation in the UK. The latest scam in the private educational sector raised a big question once again about the quality of education in this country. There is also a large question mark about the actual government approach to their immigration and education system for the international students.

When the private schools are facing huge shortages of international students, then the UK home office banned at least 60 private educational providers including some reputed one in the last week to enroll students from overseas.

Some of the schools were struggling by facilitating attractive scholarships or reducing tuition fees for the foreign students. It was happening mainly due to restricted immigration policies and stopping the working facility to tier-4 student visa issued for the private schools. I mean, the foreign students at private schools are not allowed to work in the UK any more. But what I believe that most of foreign students either come to this country for work or settlement for the 'good life' after a time when they finish studying. But, now the UK is not a place of good life for the international students any more due to immigration changes in last few years.

The philosophy of this good life was the main component to do lucrative education business in the UK in the past decades. If the opportunity of good life totally closed, major part of the UK educational providers will be shut down even the public universities, which we should wait to see in the near future, if the policy does not change.

UK Immigration banned about 60 educational providers to sponsor the foreign students last week. Some of the reputed schools shocked and surprised with the decision of the UKVI. I am not surprised as this is not new as it occurs very often in this country.

But I am worried for the innocent students who traveled this country with dreams. Especially, who are currently studying with Tier-4 visa would not be able to change programs or schools as per the current rules. If they have options to change their sponsors, it is very unlikely they will get their refunds of tuition fees. Because, the UK government does not help students regarding any tuition fees dispute between students and schools. In addition, students has to pay higher fees to the immigration for change their visa status, which is comparable with type of harassment. Students should not come to this country for cry!

Therefore, I urged the students to think at least seven times 'why' they should travel to this country for their dream goals. You need a strong motivation before consider. Don't be emotional about branding life!.

www.gscl.com.bd

more...
Shafiqul Islam Jibon's curator insight, June 30, 2014 7:28 AM

Shafiqul Islam Jibon : Private schools are facing closing situation in the UK. The latest scam in the private educational sector raised a big question once again about the quality of education in this country. There is also a large question mark about the actual government approach to their immigration and education system for the international students.

When the private schools are facing huge shortages of international students, then the UK home office banned at least 60 private educational providers including some reputed one in the last week to enroll students from overseas.

Some of the schools were struggling by facilitating attractive scholarships or reducing tuition fees for the foreign students. It was happening mainly due to restricted immigration policies and stopping the working facility to tier-4 student visa issued for the private schools. I mean, the foreign students at private schools are not allowed to work in the UK any more. But what I believe that most of foreign students either come to this country for work or settlement for the 'good life' after a time when they finish studying. But, now the UK is not a place of good life for the international students any more due to immigration changes in last few years.

The philosophy of this good life was the main component to do lucrative education business in the UK in the past decades. If the opportunity of good life totally closed, major part of the UK educational providers will be shut down even the public universities, which we should wait to see in the near future, if the policy does not change.

UK Immigration banned about 60 educational providers to sponsor the foreign students last week. Some of the reputed schools shocked and surprised with the decision of the UKVI. I am not surprised as this is not new as it occurs very often in this country.

But I am worried for the innocent students who traveled this country with dreams. Especially, who are currently studying with Tier-4 visa would not be able to change programs or schools as per the current rules. If they have options to change their sponsors, it is very unlikely they will get their refunds of tuition fees. Because, the UK government does not help students regarding any tuition fees dispute between students and schools. In addition, students has to pay higher fees to the immigration for change their visa status, which is comparable with type of harassment. Students should not come to this country for cry!

Therefore, I urged the students to think at least seven times 'why' they should travel to this country for their dream goals. You need a strong motivation before consider. Don't be emotional about branding life!.

www.gscl.com.bd

Scooped by Shafiqul Islam Jibon
Scoop.it!

আমেরিকার ভিসা আবেদন পদ্ধতিতে পরিবর্তন : এটা নাকি বড্ড সুখবর

আমেরিকার ভিসা আবেদন পদ্ধতিতে পরিবর্তন : এটা নাকি বড্ড সুখবর | Global Study Consultancy Ltd, Dhaka, Bangladesh | Scoop.it
Shafiqul Islam Jibon's insight:

আমেরিকান দুতাবাসে ভিসা আবেদন পদ্ধতিতে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। সেটা হচ্ছে আবেদনকারীরা এখন অনলাইনে ফরম পুরনের সময় ভিসা অফিসারের সঙ্গে সাক্ষাতের দিন ও সময় নির্ধারন করতে পারবেন। আর এই পরিবর্তনে কি ধরনের সুখবর সৃস্টি হলো-সেটা আমার বুঝতে বড্ডই কষ্ট হচেছ। 

কিছু ভুইফোঁড় পত্র পত্রিকার হেডলাইন দেখে মনে হচ্ছে বাংলাদেশ সোনার খনি পেয়ে গেছে। দু’দিন ধরে কেউ হেড লাইন করছে দারুন সুখবর। কেউ লিখছে সুবর্ণ সুযোগ। কিন্তু কেউ একটি বারও ব্যাখ্যা করছে না যে দারুন সুখবরটি আসলে কী!

ভেতরে পড়ে যেটা হচ্ছে চিরাচরিত নিয়মে দেশের মানুষের মাঝে একটা হুজুগ তৈরী হচ্ছে। যেটা আসলে মার্কিন দুতাবাসেরও কাম্য হতে পারে। কারন এ ধরনের একটা হুজুগ তৈরী হলে আমেরিকার ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদনের হিড়িক পড়ে যাবে। তাতে দুতাবাসের আয় রোজগারটাও বাড়বে বেশ। 

তারপর হুজুগে মাতাল বাঙালী গুলোর হুশ ফিরবে যখন ভিসা না পেয়ে ঘরে ফিরবে সুষ্ক ঠোঁটে ব্যর্থ মনোরথে! 

অনলাইনে সাক্ষাতের তারিখ ও সময় ঠিক করার সুযোগ সৃষ্টিকে যারা দারুন সুখবর বলছেন, মনে হচ্ছে তারা আমেরিকার ভিসা নিয়ে এ ধরনের হুজুগ তৈরীর জন্য এ্যাসাইনমেন্ট নিয়েছেন। তাদের লেখার ধরন দেখে মনে হচ্ছে বিষয়টি এতোই সুসংবাদের যে- আবেদন করলেই আমেরিকা জনে জনে ভিসা দিয়ে দেবে? সে গুড়ে বালি!

আবেদন পদ্ধতিতে পরিবর্তনের ফলে আমেরিকার ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাপনাকে আরও কিছুটা উন্নত করা হলো। এতে দুতাবাসের পরিচালন ব্যয় এবং সময় সাশ্রয় হবে। সাইমন সেন্টারে আবেদন জমা এবং পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য আগে দু’বার যেতে হতো। এখন একবার গেলেই চলবে। যেটা যুক্তরাজ্যসহ অনেক দেশের ইমিগ্রেশন সাভির্স অনেক আগে থেকেই করে আসছে। এটা একটা বিজ্ঞাপনী খবর। তবে এটা মহা ধুমধামের বড্ড কোন সুখবর নয়।

আসুন আমরা হুজুগকে দমন করি!

www.gscl.com.bd

more...
Shafiqul Islam Jibon's curator insight, September 12, 2014 2:09 AM
আমেরিকান দুতাবাসে ভিসা আবেদন পদ্ধতিতে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। সেটা হচ্ছে আবেদনকারীরা এখন অনলাইনে ফরম পুরনের সময় ভিসা অফিসারের সঙ্গে সাক্ষাতের দিন ও সময় নির্ধারন করতে পারবেন। আর এই পরিবর্তনে কি ধরনের সুখবর সৃস্টি হলো-সেটা আমার বুঝতে বড্ডই কষ্ট হচেছ। কিছু ভুইফোঁড় পত্র পত্রিকার হেডলাইন দেখে মনে হচ্ছে বাংলাদেশ সোনার খনি পেয়ে গেছে। দু’দিন ধরে কেউ হেড লাইন করছে দারুন সুখবর। কেউ লিখছে সুবর্ণ সুযোগ। কিন্তু কেউ একটি বারও ব্যাখ্যা করছে না যে দারুন সুখবরটি আসলে কী! ভেতরে পড়ে যেটা হচ্ছে চিরাচরিত নিয়মে দেশের মানুষের মাঝে একটা হুজুগ তৈরী হচ্ছে। যেটা আসলে মার্কিন দুতাবাসেরও কাম্য হতে পারে। কারন এ ধরনের একটা হুজুগ তৈরী হলে আমেরিকার ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদনের হিড়িক পড়ে যাবে। তাতে দুতাবাসের আয় রোজগারটাও বাড়বে বেশ। তারপর হুজুগে মাতাল বাঙালী গুলোর হুশ ফিরবে যখন ভিসা না পেয়ে ঘরে ফিরবে সুষ্ক ঠোঁটে ব্যর্থ মনোরথে! অনলাইনে সাক্ষাতের তারিখ ও সময় ঠিক করার সুযোগ সৃষ্টিকে যারা দারুন সুখবর বলছেন, মনে হচ্ছে তারা আমেরিকার ভিসা নিয়ে এ ধরনের হুজুগ তৈরীর জন্য এ্যাসাইনমেন্ট নিয়েছেন। তাদের লেখার ধরন দেখে মনে হচ্ছে বিষয়টি এতোই সুসংবাদের যে- আবেদন করলেই আমেরিকা জনে জনে ভিসা দিয়ে দেবে? সে গুড়ে বালি! আবেদন পদ্ধতিতে পরিবর্তনের ফলে আমেরিকার ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাপনাকে আরও কিছুটা উন্নত করা হলো। এতে দুতাবাসের পরিচালন ব্যয় এবং সময় সাশ্রয় হবে। সাইমন সেন্টারে আবেদন জমা এবং পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য আগে দু’বার যেতে হতো। এখন একবার গেলেই চলবে। যেটা যুক্তরাজ্যসহ অনেক দেশের ইমিগ্রেশন সাভির্স অনেক আগে থেকেই করে আসছে। এটা একটা বিজ্ঞাপনী খবর। তবে এটা মহা ধুমধামের বড্ড কোন সুখবর নয়। আসুন আমরা হুজুগকে দমন করি! www.gscl.com.bd
Scooped by Shafiqul Islam Jibon
Scoop.it!

UK Education! A Big Question Mark!

Shafiqul Islam Jibon : Private schools are facing closing situation in the UK. The latest scam in the private educational sector raised a big question once again about the quality of education in this country. There is also a large question mark about the actual government approach to their immigration and education system for the international students.

When the private schools are facing huge shortages of international students, then the UK home office banned at least 60 private educational providers including some reputed one in the last week to enroll students from overseas.

Some of the schools were struggling by facilitating attractive scholarships or reducing tuition fees for the foreign students. It was happening mainly due to restricted immigration policies and stopping the working facility to tier-4 student visa issued for the private schools. I mean, the foreign students at private schools are not allowed to work in the UK any more. But what I believe that most of foreign students either come to this country for work or settlement for the 'good life' after a time when they finish studying. But, now the UK is not a place of good life for the international students any more due to immigration changes in last few years.

The philosophy of this good life was the main component to do lucrative education business in the UK in the past decades. If the opportunity of good life totally closed, major part of the UK educational providers will be shut down even the public universities, which we should wait to see in the near future, if the policy does not change.

UK Immigration banned about 60 educational providers to sponsor the foreign students last week. Some of the reputed schools shocked and surprised with the decision of the UKVI. I am not surprised as this is not new as it occurs very often in this country.

But I am worried for the innocent students who traveled this country with dreams. Especially, who are currently studying with Tier-4 visa would not be able to change programs or schools as per the current rules. If they have options to change their sponsors, it is very unlikely they will get their refunds of tuition fees. Because, the UK government does not help students regarding any tuition fees dispute between students and schools. In addition, students has to pay higher fees to the immigration for change their visa status, which is comparable with type of harassment. Students should not come to this country for cry!

Therefore, I urged the students to think at least seven times 'why' they should travel to this country for their dream goals. You need a strong motivation before consider. Don't be emotional about branding life!.

www.gscl.com.bd

Shafiqul Islam Jibon's insight:

Shafiqul Islam Jibon : Private schools are facing closing situation in the UK. The latest scam in the private educational sector raised a big question once again about the quality of education in this country. There is also a large question mark about the actual government approach to their immigration and education system for the international students.

When the private schools are facing huge shortages of international students, then the UK home office banned at least 60 private educational providers including some reputed one in the last week to enroll students from overseas.

Some of the schools were struggling by facilitating attractive scholarships or reducing tuition fees for the foreign students. It was happening mainly due to restricted immigration policies and stopping the working facility to tier-4 student visa issued for the private schools. I mean, the foreign students at private schools are not allowed to work in the UK any more. But what I believe that most of foreign students either come to this country for work or settlement for the 'good life' after a time when they finish studying. But, now the UK is not a place of good life for the international students any more due to immigration changes in last few years.

The philosophy of this good life was the main component to do lucrative education business in the UK in the past decades. If the opportunity of good life totally closed, major part of the UK educational providers will be shut down even the public universities, which we should wait to see in the near future, if the policy does not change.

UK Immigration banned about 60 educational providers to sponsor the foreign students last week. Some of the reputed schools shocked and surprised with the decision of the UKVI. I am not surprised as this is not new as it occurs very often in this country.

But I am worried for the innocent students who traveled this country with dreams. Especially, who are currently studying with Tier-4 visa would not be able to change programs or schools as per the current rules. If they have options to change their sponsors, it is very unlikely they will get their refunds of tuition fees. Because, the UK government does not help students regarding any tuition fees dispute between students and schools. In addition, students has to pay higher fees to the immigration for change their visa status, which is comparable with type of harassment. Students should not come to this country for cry!

Therefore, I urged the students to think at least seven times 'why' they should travel to this country for their dream goals. You need a strong motivation before consider. Don't be emotional about branding life!.

www.gscl.com.bd

more...
No comment yet.